Showing posts with label প্রেম. Show all posts
Showing posts with label প্রেম. Show all posts

Thursday, July 19, 2018

প্রিয় হুমায়ুন

হুমায়ুন চলে গেছেন আজ ৬ বছর হলো।

সময় বড় দ্রুত চলে যায়। প্রকৃতি নাকি শূন্যস্থান পছন্দ করেনা! কিন্তু বাংলা সাহিত্যে-শিল্পে কি হুমায়ূনের শূন্যস্থান পূরণ হয়েছে? আদৌ কি হবে?

বহুব্রীহি!
গল্পটা আরো আগের, নাটক হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয় আমার জন্মের বছর! সে হিসেবে আমাদের বয়স সমান!

অনেক সময়ই দেখা যায় বইটা যতটা ভালো হয়, সেটাকে নাটক বা সিনেমায় রূপ দিলে তেমন আবেদন থাকে না। কিন্তু এই নাটকের আবেদন এই অতি-আধুনিক যুগে এসেও কমেনি! দেখতে বসে ভেবেছি, আহা কি দারুণ কাজই না হয়েছিল আমাদের দেশে! কেমন পরাবাস্তব এক জগতের গল্প, যেখানে মিলি আর ডাক্তার এর সহজ সরল কিন্তু প্রানবন্ত ভালোবাসা, ফরিদ মামার মত অদ্ভুত চরিত্র, আদর্শ গৃহকর্তা সোবহান সাহেব, সবচে আকর্ষণীয় চরিত্র আনিস! আরো কত কুশীলব!

কখনো ভালোবাসা, কোথাও মমতা, আবার তীব্র হাহাকার নিয়ে এগিয়ে চলে গল্প। সংলাপ, দৃশ্যায়ন, অভিনয় সব মিলে এক অন্য জগৎ! সাথে ৩০ বছর আগের ঢাকার দেখাও মেলে (বাড়তি এ পাওয়া অমূল্য)!

আমাদের আজকের এই ব্যাস্ত জীবনের ফাঁকে এমন সুন্দর গল্প দেখার আমন্ত্রণ রইল। হুমায়ূনের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমাদের ভালোবাসা, মমতা, বৃষ্টি, জোছনা এগুলোর সাথে কোন সে লোক থেকে ভেসে আসা হাহাকারের দেখা পাইয়ে দেবার জন্য।

যেই অজানালকেই থাকুন ভালো থাকুন। আপনি বেঁচে থাকবেন আপনার সৃষ্টিতেই! অনেক ভালোবাসা #প্রিয়_হুমায়ূন

১৯/০৭/২০১৮

Sunday, May 28, 2017

সুনিশ্চিত অনিশ্চিত ভবিষ্যত

আমি নিজে কখনো এইখবরগুলো শেয়ার করতে চাইনা, আমার কাছে মনে হয় এগুলো শেয়ার করাও এক ধরণের "প্রচারণা"!

এমনটা কখনোই ঘটেনা যে একটা নিউজ শেয়ার করার পর এ থেকে "শিক্ষা" নিয়ে লোকে অপরাধ কমিয়ে দেয় বরং উল্টোটাই ঘটে! সাফাতের ঘটনার পর এ থেকে "অনুপ্রাণিত" হয়ে দেখা যাবে আরো সাফাত জন্ম নেবে, শুধু তাই নয় তারা আরো "সাবধানী" হবে!

দিল্লীর বাসের ঘটনার পর কি খেয়াল করেছেন যে এইরমক ঘটনা অনেক মিডিয়ায় আসতে লাগলো। সেটা শুধু "টেম্পোরারি নিউজ ট্রেন্ড" এর কারণেই না! তখন রাত্তিরবেলা কোথাও বাসে-ট্রেনে একাকী কোন নারীকে দেখলেই অনেকের মাথায় আসবে "এইত ক্রিমিনাল হবার সুযোগ"! পিজিটিভ চিন্তা এখানে মূখ্য হয়ে ওঠেনা।

কারণ...
ব্যধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়!

তাই আমাদের আসলে আরো গভীরে হাত দিতে হবে। কিছুদিন আগে মনে আছে কি অসহায় একটা সময় পার করেছে এই দেশের মানুষ। বাসভর্তি লোকজন থাকতেই অল্পকিছু টাকার জন্যে পুরো বাসে আগুন দিয়ে দিয়েছে কেউ, সামান্য কিছু টাকায় একটা জটলার মাঝে কেউ বোমা মেরে দিয়েছে, খুব তুচ্ছ কিছু ইস্যুতে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের শেষ সম্বলে দাউ দাউ আগুনে ধ্বংস করেছে কেউ।

এই "কেউ"এরা কারা?
তারা কি ভীনগ্রহ থেকে এসেছে নাকি চুপেচাপে পাশের বা তার একটু পাশের কোন দেশ থেকে এসেছে!?
না! তারা এই দেশেরই আলো হাওয়ায় বেড়ে ওঠা মানুষ, বাসে প্রতিদিন যাদের পাশে বসি বা বাজারে যাদের সাথে এক কাতারে দাঁড়িয়ে দরদাম করি, ভিড়ভাট্টায় যাদের সাথে গায়ের ঘাম মিলেমিশে যায় এরা তারাই!

কি সাবলীলভাবেই না আমরা নিজেরা নিজেদের স্বপ্ন ভেঙে দেই, একে অন্যের হত্যাকারী হয়ে উঠি!

কিন্তু কেন আমরা এমন বদলে গেলাম!?
যে দেশের মানুষেরা শুধু একটি ফুলকে বাঁচাবে বলে একসাথে হাতের মুঠোয় প্রাণ দিতে পারে তারা কেন এমন হবে!?

কেন?

আমরা আমাদের শেকড়টাতে বহুদিন জল-পানি দেইনা। গাছের পাতা ফুলে রঙ লাগিয়ে সুন্দর দেখাচ্ছে বটে কিন্তু ঝড় এলে গাছ টিকে থাকবে কিনা সন্দেহ দেখা দিয়েছে। ভেতরে ভেতরে আমরা বড় পচে গেছি, সুন্দর আবেগ-প্রেম-ভালোবাসা-মমতা-স্নেহগুলোকে মেরে ফেলেছি! জাগাতে হবে সেগুলো নইলে অনিশ্চিত আগামী নিশ্চিত অসুন্দর!